ঢাকা , রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬ , ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

​বন কর্মকর্তার ওপর ক্ষুব্ধ মন্ত্রী, বদলির নির্দেশ

স্টাফ রিপোর্টার
আপলোড সময় : ১৬-০৮-২০২৬ ০৪:৫৬:১৬ অপরাহ্ন
আপডেট সময় : ১৬-০৮-২০২৬ ০৫:০২:৪২ অপরাহ্ন
​বন কর্মকর্তার ওপর ক্ষুব্ধ মন্ত্রী, বদলির নির্দেশ ​ছবি: সংগৃহীত
টাঙ্গাইলের সখিপুরে সংরক্ষিত বনভূমিতে একটি ঘর উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে বন বিভাগের কর্মকর্তাদের ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী ও টাঙ্গাইল-৮ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান। তিনি টাঙ্গাইলের বিভাগীয় বন কর্মকর্তাকে (ডিএফও) ফোন করে বহেড়াতৈল রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান আলীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বদলির নির্দেশ দিয়েছেন।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বহেড়াতৈল রেঞ্জের হলুদিয়াচালা এলাকায় বন বিভাগের উচ্ছেদ করা ঘরটি পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ডিএফওকে ফোন করে এই নির্দেশ দেন। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগীরা মন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

ফোনালাপে মন্ত্রী অভিযোগ করেন, উচ্ছেদ করা ঘরটি মূলত একটি ছোট চা-স্টল ছিল, যা হয়তো কিছুটা বড় করা হয়েছিল। তিনি দাবি করেন, রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান আলী ঘরটি নির্মাণের অনুমতি দেওয়ার কথা বলে অর্থ নিয়েছিলেন। পরে অর্থের ভাগাভাগি নিয়ে বিরোধের কারণে বা নিজের দায় এড়াতে ঘরটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। ডিএফওকে উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে রেঞ্জ কর্মকর্তা ইমরানকে বদলি করবেন - এটি আমার অনুরোধ।’ একই সঙ্গে নতুন কর্মকর্তা নিয়োগের পর স্থানীয় মানুষ যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও নির্দেশনা দেন তিনি।

আটিয়া বন আইন প্রসঙ্গে আহমেদ আজম খান বলেন, এই আইন নিয়ে তিনি দীর্ঘদিন আন্দোলন করেছেন। আইনটি বিলুপ্ত না হওয়া পর্যন্ত পুরোনো ঘরবাড়ি সংস্কার বা নির্মাণের ক্ষেত্রে স্থানীয়দের হয়রানি না করতে বন বিভাগের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। উচ্ছেদ করা ঘরটি পুনর্নির্মাণের বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ৯ আগস্ট বগা মৌজার সংরক্ষিত বনভূমির সিএস ৪৫ নম্বর দাগের এমএম চালা বিটের হলুদিয়াচালা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নির্মাণাধীন প্রায় ১০০ ফুট দীর্ঘ একটি ঘর উচ্ছেদ করে বন বিভাগ। টাঙ্গাইলের সহকারী বন সংরক্ষক রানা দেবের নেতৃত্বে ওই অভিযানে ধলাপাড়া, বাঁশতৈল ও হতেয়া রেঞ্জের সদস্যরা অংশ নিয়েছিলেন।

তবে মন্ত্রীর উত্থাপিত অর্থ লেনদেনের অভিযোগের বিষয়ে রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান আলীর বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। পরিদর্শনের সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশরাফুল আলম, সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মুরাদ হোসেনসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বাংলা স্কুপ/প্রতিনিধি/এইচবি/এসকে


প্রিন্ট করুন
কমেন্ট বক্স



 

এ জাতীয় আরো খবর

সর্বশেষ সংবাদ